Home » ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে সমালোচনার মুখে জয়া

ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে সমালোচনার মুখে জয়া

0 মন্তব্য 28 ভিউজ

এপার-ওপার বাংলার জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী জয়া আহসান। দুর্দান্ত অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী। যায়গা করে নিয়েছেন অগণিত ভক্তদের হৃদয়ে। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ খোলামেলা ও আবেদনমী ছবি প্রকাশ করায় সমালোচনার শিকার হচ্ছেন জয়া আহসান।

ফেসবুকে নিজের পেজে গতকাল রাতে বেশকিছু আবেদনময়ী ছবি পোস্ট করেছেন জয়া আহসান। তাতে দেখা যায়, কালো ব্লাইজ পড়ে আছেন জয়া। আর তাতে আবেদনময়ী ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে ধরা দেন এই নায়িকা।

এদিকে, ছবি পোস্ট করা মাত্রই ভাইরাল হয়ে যায়। রাতে পোস্ট করা ছবিতে লাইকের সংখ্যা এক লাখ ২২ হাজার পার হয়ে গেছে। একেকজন করতে থাকেন নেতিবাচক সমালোচনাও।

মন্তব্যে ফারহানা হক নামের একজন লেখেন, ‘শৈত্য প্রবাহ কে ভেঙেচুরে গুঁড়ো গুঁড়ো করে দিলেন জয়া আহসান।’ মাজহার মাজবুব নামের আরেকজন লেখেন, ‘তুমি শীতেও সুন্দর ও মসৃণ।’ তাপশ কুমার লেখেন, ‘গরীবেরা কিন্তু এভাবেই শীত কাটায়।’ আরিফা লেখেন, ‘এরে নীলফামারী পাঠিয়ে দাও।’ নিশীতা মিতু লেখেন, ‘শীতার্ত পুরুষদের জন্য উষ্ণতা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’ বৃষ্টি ইসলাম লেখেন, ‘আমি চিন্তা করি তার ক্যামেরাম্যানের কথা।’ নওরীন নুসরাত নোহা লেখেন, ‘তুমি আর ভালা হইলা না জয়া।’ আসিফ আলী শাওন লেখেন, ‘গরম চলে আসছে ঢাকায়!’ রয় জয়ী লেখেন, ‘একদা আইডল মানতাম, এখন সিডিউস হচ্ছি।’ এভাবে বিভিন্ন জন নানা ধরনের সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।

জয়া আহসান জন্মগ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ জেলায়। জয়ার চলচ্চিত্রে অভিষেক ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ব্যাচেলর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পূর্বসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে জয়া ছিলেন মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সহধর্মিনী। ১৪ মে ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন তিনি। ২০১১ সালে ফয়সালের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে জয়া আহসান।

আরও পড়ুন

মতামত দিন

আমাদের সম্পর্কে

We’re a media company. We promise to tell you what’s new in the parts of modern life that matter. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Sed consequat, leo eget bibendum Aa, augue velit.