Home » ৮ সেশন ধুঁকে শেষ বেলায় উজ্জ্বল বাংলাদেশ

৮ সেশন ধুঁকে শেষ বেলায় উজ্জ্বল বাংলাদেশ

0 মন্তব্য 24 ভিউজ

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ৮ সেশন নির্মমতার শিকার হয়েছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ছয় ফিফটি করেছে শ্রীলঙ্কা। বল হাতে ১৭৮ রানে অলআউট করেছে নাজমুল শান্তদের। প্রথম ইনিংস থেকে ৩৫৩ রানের লিড পাওয়ায় বাংলাদেশকে ফলোঅন করাতে পারতো লঙ্কানরা কিন্তু ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে শ্রীলঙ্কা।
দিনের খেলা শেষে শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ১০২। তৃতীয় দিনের তৃতীয় সেশন শেষে শ্রীলঙ্কার ৬ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। প্রথম ইনিংসে ৩৫৩ রানে এগিয়ে থাকার সুবাদে শ্রীলঙ্কার লিড দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ রানে।
প্রথম ইনিংসে ৩৫৩ রানের লিড পেয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে আবার ব্যাটিংয়ে নামে শ্রীলঙ্কা। হাতে বড় লিড থাকায় স্বাভাবিকভাবেই শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছে লঙ্কানরা। সেই সুযোগ নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে হাসান মাহমুদ। এই পেসার এদিন শেষ বিকেলে একাই তুলে নেন ৪ উইকেট।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দিমুথ করুনারত্নেকে বোল্ড করে শুরুটা করেন হাসান। এরপর দীনেশ চান্দিমাল, নিশান মাদুশঙ্কা ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে ফেরান এই পেসার। তাছাড়া আরেক পেসার খালেদ আহমেদও তুলে নেনে ২ উইকেট। সবমিলিয়ে ৮৯ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। বাংলাদেশের পক্ষে হাসান মাহমুদ ১১ ওভার বল করে ৫১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট, ৯ ওভারে ২৯ রান দিয়ে খালেদের শিকার ২টি।
এর আগে তাইজুলকে সঙ্গে নিয়ে দিনের শুরুটা ভালোই করেছিল ওপেনার জাকির হাসান। প্রথম ঘন্টায় মাত্র ৩০ রান তুললেও হারাননি কোনো উইকেট। জাকিরের হাফ সেঞ্চুরির পরই টাইগার শিবিরে আঘাত হানে বিশ্ব ফার্নান্ডো। তার ভেতরে ঢোকা বল ডিফেন্স করতে ব্যর্থ হন জাকির। উপড়ে যায় তার লেগ স্টাম্প। এর আগে তিনি করেন ৫৪ রান।
এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। প্রবাত জয়াসুরিয়া ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন স্টাম্পের ওপর। ফ্লিক করতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে দিমুত করুনারত্নের হাতে ক্যাচ তুলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার আগে তিনি করেন মাত্র ১ রান। পরের ওভারে বিশ্ব ফার্নান্ডোর শিকার হন গতকাল নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা তাইজুল।
বাংলাদেশের নাইটওয়াচম্যানও হয়েছেন জাকিরের মতো বোল্ড। আবার ভেতরের দিকে ঢোকা বল ছিল, সেটি ভেদ করে তাইজুলের রক্ষণ। ১০৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতি থেকে ফিরেই ২৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন সাকিব। তার বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন দাস। সিলেটের পর চট্টগ্রামেও ব্যর্থ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৩ বলে ৪ রান করেছেন তিনি।
এরপর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি শাহদাত হোসেন দিপু। দলীয় ১৫৫ রানে ৩৬ বলে ৮ রান করে ফিরে যান তিনি। দিপুর বিদায়ের পর ক্রিজে আসা মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন মুমিনুল হক।
তবে একবার জীবন পেয়েও ব্যর্থ হন মিরাজ। ৩১ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপর একাই লড়াই চালিয়ে যান মুমিনুল। তবে দলীয় ১৭৫ রানে ৮৪ বলে ৩৩ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
শেষ ব্যাটার হিসেবে খালেদ আহমেদ আউট হলে ১৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আসিথা ফার্নান্দো নিয়েছেন ৪টি উইকেট।

আরও পড়ুন

মতামত দিন


The reCAPTCHA verification period has expired. Please reload the page.

আমাদের সম্পর্কে

We’re a media company. We promise to tell you what’s new in the parts of modern life that matter. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Sed consequat, leo eget bibendum Aa, augue velit.