Home » বাংলাদেশের রিজার্ভ-সংকট মোকাবিলায় নতুন ঘোষণা আসতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের রিজার্ভ-সংকট মোকাবিলায় নতুন ঘোষণা আসতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

0 মন্তব্য 14 ভিউজ

ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশ রিজার্ভের ঘাটতি মেটাতে বেইজিংয়ের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন চীন সফরে এ বিষয়ে বেইজিংয়ের কাছ থেকে নতুন ঘোষণা আসতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের প্রশ্নে কথাগুলো বলেন চীনের রাষ্ট্রদূত। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফরসহ দুই দেশের সম্পর্কের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ রিজার্ভ-সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা চেয়ে চীনকে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে এ নিয়ে নতুন ঘোষণা আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর এবারের চীন সফরে দুই দেশের কৌশলগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করেছি। যার বিস্তারিত যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে।’
তিস্তা প্রকল্পে চীনের অর্থায়নের বিষয়ে ইয়াও ওয়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, তিস্তা নদী বাংলাদেশের সীমানায়। এটি বাংলাদেশের নদী। তিস্তা নদীতে প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নেবে। তিস্তা যেহেতু বাংলাদেশের নদী, তাই বাংলাদেশ তার অংশে যেকোনো প্রকল্প নিতে পারে। বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে চীন তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ সমীক্ষা করার কথা বলেছে। এখন প্রস্তাব গ্রহণ করার বিষয় বাংলাদেশের। চীন সেই সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে। ভারত ও চীন যৌথভাবে তিস্তা প্রকল্পে কাজ করতে পারবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চীন প্রস্তুত কিন্তু বাংলাদেশকেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি প্রকল্পটি নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো উত্তেজনা থাকার কথা অস্বীকার করেন।
বাংলাদেশে অনেক দিন ধরে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশের উন্নতিকে ত্বরান্বিত করেছে। চীনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর আগামী পাঁচ বছর বা তারও পরে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পথ সুদৃঢ় করবে। এ সফরে দুই দেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। দুই দেশের মধ্যে ‘উইন-উইন’(উভয় পক্ষ লাভবান) পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ব্রিকসের সদস্য হতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে চীন। অচিরেই বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য হবে বলে আশা করেন তিনি।
ডিকাব সভাপতি নূরুল ইসলাম হাসিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু।

আরও পড়ুন

মতামত দিন


The reCAPTCHA verification period has expired. Please reload the page.

আমাদের সম্পর্কে

We’re a media company. We promise to tell you what’s new in the parts of modern life that matter. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Sed consequat, leo eget bibendum Aa, augue velit.